দিয়া ইসলাম : বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখান করায় সাভারের আশুলিয়ায় প্রকাশ্যে অস্ত্র ঠেকিয়ে এক কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করেছে এক বখাটে যুবক। এঘটনায় ওই কলেঁজ ছাত্রীর বাবা গতকাল রাতে ৬ জনকে আসামী করে আশুলিয়ায় থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে এঘটনার পর থেকে ওই কলেজ ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা বখাটে ওই যুবকের ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
গতকাল বিকেলে আশুলিয়ার আউকপাড়া থেকে তাকে অপহরণ করে নিয়ে ওই বখাটে যুবক। ওই কলেজ ছাত্রীর নাম হচ্ছে আশা আক্তার (১৮) সে সাভার কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্রী।
ভুক্তভোগী ওই কলেজ ছাত্রীর চাচা আসাদ মিয়া জানান আশুলিয়ার কুমকুমারী এলাকার একটি হত্যার মামলার আসামী বর্তমানে কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা ফাঁসির দ-প্রান্ত আসামী আতাউর রহমানের বখাটে ছেলে লেমন মিয়া (২২) প্রায়ই তাকে কলেজে যাওয়ার পথে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিলো। পরে লেমন গত কয়েক দিন ধরে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিত বলেও জানায় সে। পরে গত দু’দিন আগে লেমন তাঁদের বাড়িতে এসে আশা আক্তারকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। তবে তারা ওই প্রস্তাব না করে দেন। এর পর থেকেই বখাটে যুবক লেমন তাঁর ভাতিজিকে তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়ে আসছিল বলেও জানান তিনি। এর জের ধরে গতকাল বিকালে আউকপাড়া এলাকা থেকে বখাটে যুবক লেমনের চাচা স্থানীয় বির্তকিত ঝুট ব্যবসায়ী শফিক মৃধার সহযোগীতায় লেমন ওই কলেজ ছাত্রীকে প্রকাশ্যে অস্ত্র ঠেকিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এঘটনার পরে রাতে লেমনকে প্রধান আসামী ও তার চাচা শফিক মৃধাকে দ্বিতৃীয় আসামী করে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে ওই কলেছ ছাত্রীর বাবা আনিছুর রহমান। এঘটনার পর থেকে থেকে এঘটনার মুলহোতা শফিক মৃধা পলাতক রয়েছে।
স্থানীয়রা জানায় লেমন মিয়া এলাকায় স্থানীয় ভাবে বখাটে হিসেবেই পরিচিত। সে এর আগেও তার চাচা শফিক মৃধার সহযোগীতায় আরও কয়েকজন কলেজ ছাত্রীকে উত্যক্ত করে আসছিলো। তার ভয়ে অনেকে কলেজে যাওয়া বন্ধ করে দেয়। এঘটনার কেউ প্রতিবাদ করলে ক্ষমতার জোরে তাদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিতো লেমন মিয়া।
এবিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আউয়াল জানান ছয় জনকে আসামী করে একটি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে ওই কলেজ ছাত্রীর বাবা। আমরা আসামীদের গ্রেপ্তারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছি।
সাভারের অস্ত্র ঠেকিয়ে ছাত্রীকে অপহরণ
